<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Latest News &#8211; উচ্ছ্বাস একাডেমি</title>
	<atom:link href="https://ucchashacademy.com/category/latest-news/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://ucchashacademy.com</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Fri, 30 Jan 2026 12:21:57 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.1</generator>
	<item>
		<title>fgb</title>
		<link>https://ucchashacademy.com/2026/01/30/fgb/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 30 Jan 2026 12:18:58 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Latest News]]></category>
		<category><![CDATA[Notice Board]]></category>
		<category><![CDATA[news]]></category>
		<category><![CDATA[notice]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://ucchashacademy.com/?p=7951</guid>

					<description><![CDATA[dfgvbdf]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>dfgvbdf</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>নরসিংদীতে উচ্ছ্বাসের নতুন ব্রাঞ্চ</title>
		<link>https://ucchashacademy.com/2025/12/18/%e0%a6%a8%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%a6%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%89%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%a4-2/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 18 Dec 2025 10:50:58 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Latest News]]></category>
		<category><![CDATA[news]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://ucchashacademy.com/?p=7039</guid>

					<description><![CDATA[নরসিংদীতে উচ্ছ্বাসের নতুন শুভ উদ্বোধন ‍উপলক্ষে ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাস ধরে চলছে ফ্রি ভর্তি উৎসব। 🎉 নরসিংদী ব্রাঞ্চ উদ্বোধন উপলক্ষে 🎓 বিশেষ ছাড়ে ভর্তি চলছে উচ্ছ্বাস একাডেমিক কেয়ার — নরসিংদী নরসিংদীর শিক্ষার্থীদের জন্য সুখবর! উচ্ছ্বাস একাডেমিক কেয়ার আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করলো নরসিংদী ব্রাঞ্চে। 📌 উদ্বোধন উপলক্ষে 👉 ৩১ শে জানুয়ারি &#8211; ২০২৬  সময়ের জন্য ভর্তি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>নরসিংদীতে উচ্ছ্বাসের নতুন শুভ উদ্বোধন ‍উপলক্ষে ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাস ধরে চলছে ফ্রি ভর্তি উৎসব।</p>
<p>🎉 নরসিংদী ব্রাঞ্চ উদ্বোধন উপলক্ষে<br />
🎓 বিশেষ ছাড়ে ভর্তি চলছে<br />
উচ্ছ্বাস একাডেমিক কেয়ার — নরসিংদী<br />
নরসিংদীর শিক্ষার্থীদের জন্য সুখবর!<br />
উচ্ছ্বাস একাডেমিক কেয়ার আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করলো নরসিংদী ব্রাঞ্চে।</p>
<p>📌 উদ্বোধন উপলক্ষে<br />
👉 ৩১ শে জানুয়ারি &#8211; ২০২৬  সময়ের জন্য ভর্তি ফি- একদম ফ্রি।<br />
👉 অফার শেষ হলে নিয়মিত ফি প্রযোজ্য হবে।</p>
<p>🌟 আমরা যা নিশ্চিত করি<br />
✔ ক্লাস ১–১০ পর্যন্ত মানসম্মত পাঠদান<br />
✔ অভিজ্ঞ ও যত্নশীল শিক্ষক<br />
✔ নিয়মিত ক্লাস টেস্ট ও গাইডলাইন<br />
✔ দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা কেয়ার</p>
<p>⚠️ আসন সীমিত — আগে ভর্তি, আগে সুযোগ</p>
<p>📞 ভর্তি ও যোগাযোগ: ০১৩৩৫১০১৯৪১</p>
<p>🏫 শাখা: উচ্ছ্বাস একাডেমিক কেয়ার, বাসা: ২০৬/২৪, পশ্চিম ব্রাহ্মন্দী,বালুরমাঠ, ডাকঘর: নরসিংদী সরকারি কলেজ – ১৬০২, নরসিংদী সদর,নরসিংদী।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>নরসিংদীতে উচ্ছ্বাসের নতুন ব্রাঞ্চ</title>
		<link>https://ucchashacademy.com/2025/12/17/%e0%a6%a8%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%a6%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%89%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 17 Dec 2025 12:01:27 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Latest News]]></category>
		<category><![CDATA[Notice Board]]></category>
		<category><![CDATA[notice]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://ucchashacademy.com/?p=7923</guid>

					<description><![CDATA[নরসিংদীতে উচ্ছ্বাসের নতুন শুভ উদ্বোধন ‍উপলক্ষে ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাস ধরে চলছে ফ্রি ভর্তি উৎসব। 🎉 নরসিংদী ব্রাঞ্চ উদ্বোধন উপলক্ষে 🎓 বিশেষ ছাড়ে ভর্তি চলছে উচ্ছ্বাস একাডেমিক কেয়ার — নরসিংদী নরসিংদীর শিক্ষার্থীদের জন্য সুখবর! উচ্ছ্বাস একাডেমিক কেয়ার আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করলো নরসিংদী ব্রাঞ্চে। 📌 উদ্বোধন উপলক্ষে 👉 ৩১ শে জানুয়ারি &#8211; ২০২৬  সময়ের জন্য ভর্তি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>নরসিংদীতে উচ্ছ্বাসের নতুন শুভ উদ্বোধন ‍উপলক্ষে ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাস ধরে চলছে ফ্রি ভর্তি উৎসব।</p>
<p>🎉 নরসিংদী ব্রাঞ্চ উদ্বোধন উপলক্ষে<br />
🎓 বিশেষ ছাড়ে ভর্তি চলছে<br />
উচ্ছ্বাস একাডেমিক কেয়ার — নরসিংদী<br />
নরসিংদীর শিক্ষার্থীদের জন্য সুখবর!<br />
উচ্ছ্বাস একাডেমিক কেয়ার আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করলো নরসিংদী ব্রাঞ্চে।</p>
<p>📌 উদ্বোধন উপলক্ষে<br />
👉 ৩১ শে জানুয়ারি &#8211; ২০২৬  সময়ের জন্য ভর্তি ফি- একদম ফ্রি।<br />
👉 অফার শেষ হলে নিয়মিত ফি প্রযোজ্য হবে।</p>
<p>🌟 আমরা যা নিশ্চিত করি<br />
✔ ক্লাস ১–১০ পর্যন্ত মানসম্মত পাঠদান<br />
✔ অভিজ্ঞ ও যত্নশীল শিক্ষক<br />
✔ নিয়মিত ক্লাস টেস্ট ও গাইডলাইন<br />
✔ দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা কেয়ার</p>
<p>⚠️ আসন সীমিত — আগে ভর্তি, আগে সুযোগ</p>
<p>📞 ভর্তি ও যোগাযোগ: ০১৩৩৫১০১৯৪১</p>
<p>🏫 শাখা: উচ্ছ্বাস একাডেমিক কেয়ার, বাসা: ২০৬/২৪, পশ্চিম ব্রাহ্মন্দী,বালুরমাঠ, ডাকঘর: নরসিংদী সরকারি কলেজ – ১৬০২, নরসিংদী সদর,নরসিংদী।</p>
<p>&nbsp;</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>‘নিজেরা প্রশ্ন তৈরি করে উত্তর’, শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নে অভিনব উপায়</title>
		<link>https://ucchashacademy.com/2022/08/29/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%a8-%e0%a6%a4%e0%a7%88%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%89/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 29 Aug 2022 10:57:13 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Latest News]]></category>
		<category><![CDATA[news]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://ucchashacademy.com/?p=7036</guid>

					<description><![CDATA[শিক্ষকেরা প্রশ্নপত্র তৈরি করবেন এবং ছাত্রছাত্রীরা তার উত্তর দেবেন। এটাই পরীক্ষা পদ্ধতির প্রচলিত রীতি। সেই ধারণা ভেঙে এল ‘ওপেন বুক’ পরীক্ষা পদ্ধতি। যেখানে পড়ুয়ারা পাঠ্যবইয়ের সাহায্য নিয়ে উত্তর লিখতে পারেন। এ বার পড়ুয়াদের মূল্যায়নে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল আইআইটি গোয়া। ছাত্রছাত্রীদেরই প্রশ্ন তৈরি করে তার উত্তর দিতে বলা হল পরীক্ষায়। সেই প্রশ্নপত্র এখন নেটমাধ্যমে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">শিক্ষকেরা প্রশ্নপত্র তৈরি করবেন এবং ছাত্রছাত্রীরা তার উত্তর দেবেন। এটাই পরীক্ষা পদ্ধতির প্রচলিত রীতি। সেই ধারণা ভেঙে এল ‘ওপেন বুক’ পরীক্ষা পদ্ধতি। যেখানে পড়ুয়ারা পাঠ্যবইয়ের সাহায্য নিয়ে উত্তর লিখতে পারেন। এ বার পড়ুয়াদের মূল্যায়নে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল আইআইটি গোয়া। ছাত্রছাত্রীদেরই প্রশ্ন তৈরি করে তার উত্তর দিতে বলা হল পরীক্ষায়। সেই প্রশ্নপত্র এখন নেটমাধ্যমে ভাইরাল।</p>
<p style="text-align: justify;">ভাইরাল হওয়া প্রশ্নপত্রে দেখা যাচ্ছে, ‘অ্যানালগ সার্কিট’ বিষয়ের উপর ৭০ নম্বরের পরীক্ষা। সময় ৩ ঘণ্টা। গোটা সেমিস্টার জুড়ে অধ্যাপকেরা ওই বিষয়ের উপর ক্লাসে যা পড়িয়েছেন, তা মাথায় রেখেই পরীক্ষার্থীদের প্রশ্ন তৈরি করে তার উত্তর দিতে বলা হয়েছে। পরীক্ষার্থী নিজে কী বুঝেছেন, তাই যেন প্রকাশ পায় উত্তরপত্রে, বলে দেওয়া হয়েছে তা-ও। দু’ঘণ্টার মধ্যে সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে এবং এ বিষয়ে বন্ধুদের সঙ্গে কোনও আলোচনা করা যাবে না। অন্যের সঙ্গে মিল খুঁজে পাওয়া গেলে নম্বর কাটা যেতে পারে। এই পরীক্ষার জন্য যে যে প্রশ্নের ওপর ভিত্তি করে পড়ুয়ারা প্রস্তুতি নিয়েছেন, তার উত্তর দিতে বলা হয়েছে প্রশ্নপত্রের দ্বিতীয় প্রশ্নে। তার জন্য বরাদ্দ নম্বর ৪০।</p>
<p style="text-align: justify;">Copyright : Md Sayf Ullah</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>দৈনন্দিন জীবনে পারিবারিক শিক্ষার গুরুত্ব</title>
		<link>https://ucchashacademy.com/2022/08/29/%e0%a6%a6%e0%a7%88%e0%a6%a8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 29 Aug 2022 10:56:26 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Latest News]]></category>
		<category><![CDATA[news]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://ucchashacademy.com/?p=7033</guid>

					<description><![CDATA[যাপিত জীবনে প্রত্যেক মানুষের সবচেয়ে বেশি যা প্রয়োজন তা হলো, পারিবারিক শিক্ষা। আর এগুলো রপ্ত করতে/করাতে হলে সর্বপ্রথম পরিবার থেকেই হতে হবে। কারণ সভ্যতা, ভদ্রতা, নৈতিকতা, কৃতজ্ঞতা বোধ, অপরের প্রতি শ্রদ্ধা-স্নেহ ও পরোপকারী এবং উদার মানসিকতা এগুলো কোন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে খুব একটা অর্জন করা যায় না। শিশু যখন নিজ থেকেই হাত-পা নাড়তে শিখে, তখন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div id="contentDetails" style="text-align: justify;">যাপিত জীবনে প্রত্যেক মানুষের সবচেয়ে বেশি যা প্রয়োজন তা হলো, পারিবারিক শিক্ষা। আর এগুলো রপ্ত করতে/করাতে হলে সর্বপ্রথম পরিবার থেকেই হতে হবে। কারণ সভ্যতা, ভদ্রতা, নৈতিকতা, কৃতজ্ঞতা বোধ, অপরের প্রতি শ্রদ্ধা-স্নেহ ও পরোপকারী এবং উদার মানসিকতা এগুলো কোন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে খুব একটা অর্জন করা যায় না। শিশু যখন নিজ থেকেই হাত-পা নাড়তে শিখে, তখন থেকেই মূলত সে পরিবারের বড়দের কাছ থেকে শিখতে শুরু করে। আর তখন থেকেই তার সামনে বাবা-মা ও বড়দের কথা-বার্তাসহ বিভিন্ন বিষয়ে বেশ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। বাড়ন্ত শিশুকে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে ভাল-মন্দ বিষয়ে অবহিত করতে হবে। তার সঙ্গে নরম সুরে, মার্জিত আচরণে বিভিন্ন বিষয়ে শেয়ার করতে হবে। শিশুদের মন-মানসিকতা থাকে খুবই কোমল, তাই খুব সহজেই যে কোন বিষয়ে তারা শিখে নিতে পারে। অনেক শিশুরাই দুষ্টমির ছলে মিথ্যা বলতে পছন্দ করে, বড়রা যখন বুঝতে পারবেন তখন তাদের কর্তব্য, আদর-স্নেহের মাধ্যমে বুঝিয়ে তার এই বদ-অভ্যাস থেকে বিরত রাখতে হবে। কোন অবস্থাই শিশুকে গালমন্দ করা যাবে না, এতে সে আরও বেশি উৎসাহী হয়ে উঠবে। বড়দের দেখলে সালাম, তার চাইতে ছোটদের প্রতি ¯েœহ, সমবয়সীদের প্রতি সু-সম্পর্ক, অন্যকে তাচ্ছিল্য না করা এগুলো শিখাতে হবে। বিশেষ করে মায়েদের খেয়াল করতে হবে তার সন্তান অন্যদের প্রতি কতটুকু উদার। ছোট্ট বয়স থেকেই মুক্ত মন-মানসিকতা গড়ে না উঠলে তা আর পরবর্তী জীবনে আয়ত্ত করা খুবই দুরূহ ব্যাপার। তাই একজন আদর্শ মানুষ হিসেবে সন্তানকে গড়ার জন্য বাবা-মা ও পরিবারের সদস্যদেরই অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। মাঝে মধ্যে কাছে কিংবা দূরে কোথাও উদার করা প্রকৃতির সান্নিধ্যে নিয়ে যেতে হবে। ভ্রমণেও শিশু অনেক কিছু শিখতে পারে। বর্তমান শহুরে সমাজে পরিবারের দুজনই থাকেন নিজ কর্মস্থলে ব্যস্তÑ ফলে যতটুকু সময় সন্তানের প্রাপ্য তা থেকে সে হয় বঞ্চিত। যৌথ পরিবারের অভাবে, গৃহকর্মীর সান্নিধ্যে, ভার্চুয়াল জগতে মেতে থেকে শিশু হারায় তার সু-শিক্ষা পাওয়ার মতো সোনালি সময়। মনিটরে কার্টুন দেখা আর এ্যাডভেঞ্চার গেম খেলেÑ শিশুর মস্তিষ্কে ধারণ করে যত সব উৎভট চিন্তা। ধারণ করা সেই চিন্তাচেতনা থেকেই শিশু চায় তার বাস্তবায়ন। ছোট থেকেই যেন শিশু পেতে পারে পারিবারিক শিক্ষা, সেই লক্ষ্যে কর্মব্যস্ত ও প্রত্যেক পরিবারের সন্তানের বাবা-মা এবং বয়োজ্যেষ্ঠদের কর্তব্য প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যায় সন্তানকে জিজ্ঞাসা করা- তার সন্তান ধর্মীয় কর্ম পালন করেছে কিনা। শুধু জিজ্ঞাসার মধ্যেই দায় সারলেই হবে না, রিতিমতো তাদের বাধ্য করাতে হবেÑ যেমনি করে আমরা অফিসে থেকেও বাড়িতে ফোন দিয়ে খোঁজ নেই, সন্তান স্কুলের হোমওয়ার্ক ঠিকমতো করেছে কি-না। প্রত্যেক ধর্মের অনুশাসনেই আদর্শ-সভ্যতা-নৈতিকতার শিক্ষা রয়েছে। আর ইসলামের আসমানি কিতাব কোরাআন তো পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান। সুতরাং একমাত্র ধর্মীয় শিক্ষা ও অনুশাসন মেনে চলার মাঝেই, সন্তানকে সু-শিক্ষায় শিক্ষিত ও আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি অভিভাবকদের কর্তব্য তার আদরের সন্তানকে সেগুলোর চর্চা করানো। সংসারের দু-জনকেই আজকাল চাকরি/ব্যবসা করতে হয়। বাবা-মায়ের এই পরিশ্রম আদরের সন্তানদের নিষ্কণ্টক ভবিষ্যতের জন্য, তাদের বায়না মিটানোর জন্য। তাই তাদের ব্যক্তি জীবনও আলোকিত করার লক্ষ্যে শত ব্যস্ততার মাঝে কঠোর পরিশ্রমের ফাঁকেও সন্তানকে, সকালে স্কুলে পাঠানোর আগে বলে দিন শিক্ষক/শিক্ষিকা ও বড়দের দেখলে সালাম এবং তাদের সঙ্গে নম্রতার সঙ্গে শ্রদ্ধা-ভক্তি নিয়ে কথা বলার জন্য। সহপাঠীদের সঙ্গে বিনয়ী আচরণ ও সবার সঙ্গে সদ্ভাব বজায় রাখা। যদি কোন ভুল করেও ফেলে তার পরেও যেন সে মিথ্যার আশ্রয় না নেয়, সেই বিষয়ে তাকে অভয় দেয়া। সে যদি কোন বিষয়ে তার বন্ধুদের সহযোগিতা পায়, তাহলে যেন সে তার/তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। বর্তমান সমাজে কৃতজ্ঞতা জানানোর মধ্যে রয়েছে যত কৃপনতা। আর এই কৃপনতা থেকেই সৃষ্টি হয়Ñ যতসব অনৈতিকতার সূত্র। একজন অকৃতজ্ঞ সমাজে সবচেয়ে ধিকৃত। রক্তচক্ষুর বদলে পরম সোহগের সঙ্গে সন্তানের ভুল ত্রুটি শুধরিয়ে দিলে অনেক বেশি কাজে আসে। তাই বাবা-মাকে সন্তানের সঙ্গে বন্ধুত্ব সুলভ আচরণ করতে হবে, তাহলে দেখবেন সন্তান সবকিছুই আপনার সঙ্গে শেয়ার করবে। যে সন্তান শেয়ার করতে শিখবে সেই সন্তান কখনও আদর্শহীন হবে না। বাবা-মাকে মনে রাখতে হবে, ঘরের পরিবেশ ভাল বলেই যে সন্তান সভ্য-ভদ্র ও আদর্শবান হবে এ রকম আত্মতৃপ্তিতে ভোগা ঠিক হবে না। কারণ সবসময় গ্রাম্য সেই প্রবাদ কাজে নাও আসতে পারে। তাই সন্তান কাদের সঙ্গে মিশল/বন্ধুত্ব করল সেদিকেও অনুসন্ধানী খোঁজ রাখতে হবে। তবে খোঁজ রাখতে গিয়ে যেন আবার সন্তানের সম্মানে আঘাত না হানে। এতে করে হিতে বিপরীত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মনে রাখবেন মোটামুটি পাঁচ/ছয় বছর বয়স থেকেই আপনার ছোট্ট সোনামণির নিজেস্ব সম্মানবোধ সৃষ্টি হয়। অবশ্যই ছোট থেকেই সন্তানকে/সন্তানের সামনে সু-শিক্ষার বিষয়ে আলোচনা ও তার মাঝে চর্চার প্রচলন ঘটাতে হবে। শিক্ষিত হওয়ার জন্য যেমন একাডেমিক শিক্ষার প্রয়োজন তেমনি সন্তানকে, সুস্থ মানসিকতার ধারক ও বাহক হওয়ার জন্য সভ্যতা-ভদ্রতা-নৈতিকতা এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার মতো মননের অধিকারী যেন হয় সেই বিষয়ে বাবা-মাকে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। কৃতজ্ঞতা প্রকাশের প্রসঙ্গ লেখনীর মধ্যে একাধিকবার আসার কারণ হলো, যিনি তার পালন/সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশে সক্ষম- তিনি যেন জগতের সকল কর্মে সফল। মোদ্দা কথা বিচক্ষণ বাবা-মা বা অভিভাবকদের সন্তানরাই সমাজে আদর্শ মানুষ হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে।</div>
<div class="row">
<div class="col-md-12" style="text-align: justify;"></div>
</div>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>জাতীয় জীবনের অগ্রগতির মূলমন্ত্র শিক্ষা</title>
		<link>https://ucchashacademy.com/2022/08/29/%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%97%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%ae/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 29 Aug 2022 10:55:06 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Latest News]]></category>
		<category><![CDATA[news]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://ucchashacademy.com/?p=7030</guid>

					<description><![CDATA[সভ্যতার প্রধান উপাদান হলো শিক্ষা। যে জাতি যত শিক্ষিত, সে জাতি তত উন্নত। কোনো জাতি ও সভ্যতার উত্থান-পতনের সঙ্গে শিক্ষা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। শিক্ষার আলোয় মানুষ অন্ধকারকে জয় করে। অজ্ঞতার অভিশাপ থেকে পরিত্রাণ পায়। মুক্তির পথের দিশা খুঁজে পায়। আলো-আঁধার, ভালো-মন্দ, নীতিনৈতিকতা ও ন্যায়-অন্যায়ের মধ্যে পরখ করার অন্যতম মাধ্যম হলো শিক্ষা। শিক্ষা মানবপ্রাণের লুক্কায়িত পশুত্বকে অবদমিত [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">সভ্যতার প্রধান উপাদান হলো শিক্ষা। যে জাতি যত শিক্ষিত, সে জাতি তত উন্নত। কোনো জাতি ও সভ্যতার উত্থান-পতনের সঙ্গে শিক্ষা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। শিক্ষার আলোয় মানুষ অন্ধকারকে জয় করে। অজ্ঞতার অভিশাপ থেকে পরিত্রাণ পায়। মুক্তির পথের দিশা খুঁজে পায়। আলো-আঁধার, ভালো-মন্দ, নীতিনৈতিকতা ও ন্যায়-অন্যায়ের মধ্যে পরখ করার অন্যতম মাধ্যম হলো শিক্ষা। শিক্ষা মানবপ্রাণের লুক্কায়িত পশুত্বকে অবদমিত করে মনুষ্যত্বের বিকাশ ঘটায়। মানুষকে মানবিক ও নৈতিক মূল্যবোধের অধিকারী করে তোলে। তাই শিক্ষাকে মানুষের অন্যতম মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। তাই জাতীয় জীবনের অগ্রগতির মূলমন্ত্র হচ্ছে শিক্ষা। শিক্ষা ছাড়া কোনো জাতি উন্নতি করতে পারে না। এ কারণেই শিক্ষাকে জাতির মেরুদণ্ড বলা হয়। শিক্ষা যে, শুধুমাত্র একটি জাতির মেরুদণ্ড তা নয় বরং শিক্ষা মানুষের নৈতিক চরিত্র গঠনের শ্রেষ্ঠ হাতিয়ার। সুনির্দিষ্ট দর্শনভিত্তিক শিক্ষা মানুষকে সব ধরনের কুপ্রবৃত্তি কুসংস্কার অসদাচরণ হতে রক্ষা করে আলোকিত মানুষ, সমাজ ও একই সঙ্গে সুনাগরিক হিসাবে গড়ে তোলে। আমাদের সংবিধানে উল্লেখ আছে, শিক্ষা মানুষের মৌলিক অধিকার। একই সঙ্গে জন্মগত অধিকার। শিক্ষা শুধু অধিকারই নয়, জাতি গঠনের মূল স্তম্ভও বটে। এই শিক্ষা লাভে কেউ কাউকে বাধা প্রদান করতে পারে না, তেমনি শিক্ষা কেউ কেড়ে নিতেও পারে না। পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পাওয়া একমাত্র বিবেচনার বিষয় হতে পারে না। আমি ভালো মানুষ হলাম কি না, আমার মধ্যে মানবিকতাবোধ, নৈতিকতাবোধ আছে কি না, আমি একজন সু-নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠলাম কি না, আমি সুস্থ, সুন্দর মন নিয়ে বড় হচ্ছি কি না, সেটা সবার আগে বিবেচনার বিষয়। মানবিক মূল্যবোধ, নীতি আদর্শ, সততা, কর্তব্য নিষ্ঠা ও নৈতিকতা সম্পন্ন মানুষই প্রকৃত মানুষ। কিন্তু এদিক বিবেচনায় না নিয়ে শুধু আমাদের সন্তানদের ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার সরকারি বেসরকারি চাকরিজীবী বানাতে চাই। পাশাপাশি মানুষ হওয়ার যে তাগিদ তা অনুভব করি না। আজকাল সার্টিফিকেট অর্জনই প্রায় সবার লক্ষ্য। আমার সন্তান কতটা মানবিক জ্ঞান সম্পন্ন হলো, কতটা সুশিক্ষায় শিক্ষিত হলো কিনা, সেদিকে কারো খেয়াল নেই। বিদ্যা যেখানে অর্থের বিনিময়ে বেচাকেনা হয়, সেখানে সুশিক্ষা মেধার বিকাশ বা শিক্ষার মান বড় কথা নয়, সার্টিফিকেট অর্জনই মুখ্য। প্রতি বছর যে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী পাস করে এবং তাদের মধ্যে অনেকে ভালো ফল অর্জন করে।</p>
<p style="text-align: justify;">কিন্তু কতজন শিক্ষার্থী প্রকৃত মেধার বিকাশ ঘটেছে এ প্রশ্ন অস্বাভাবিক, অপ্রাসঙ্গিক বা অবাস্তব নয়। পাস করা ও শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয়, এটা আমাদের মেনে নিতেই হবে। প্রকৃত শিক্ষা হচ্ছে মন মস্তিষ্ক ও অনুশীলনের মাধ্যমে জ্ঞান অর্জন করা। বুদ্ধিবৃত্তির বিকাশ ঘটানো। সার্টিফিকেটের সঙ্গে শিক্ষার কোনো সম্পর্ক নেই। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে আমরা সুশিক্ষা ও শিক্ষার হারকে এক করে ফেলি যা মোটেই ঠিক নয়। একটি দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীকে আধুনিক যুগোপযোগী শিক্ষার মাধ্যমে যদি প্রকৃতপক্ষে গড়ে তোলা যায়, তাহলে দেশের জন্য সবার জন্য মঙ্গল। আর মানসম্মত, শিক্ষাই পারে দেশকে সার্বিক দিক থেকে এগিয়ে নিয়ে যেতে। এ কারণে প্রতিটি দেশ যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষাব্যবস্থা প্রণয়ন করে থাকে। সমাজ ও যুগের চাহিদা এবং সমকালীন জ্ঞানের যে বিস্তার ঘটেছে, তার দিকে লক্ষ্য রেখে আমাদের দেশেও একটি শিক্ষা নীতি চালু হয়েছে। এ শিক্ষাব্যবস্থা থেকে যেন সর্বোত্তম ফল লাভ করা যায়। সে জন্য শিক্ষা নিয়ে গবেষণা বা ভাবনার শেষ নেই। যুগে যুগে প্রতিটি দেশে জ্ঞানী-গুণী মনীষীদের ভাবনায় শিক্ষাই প্রাধান্য পেয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার মূল লক্ষ্য হচ্ছে, যুগের চাহিদা অনুযায়ী বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীদের প্রকৃত শিক্ষায় গড়ে তুলতে হবে যাতে করে তারা দক্ষ মানব সম্পদে পরিণত হয়। একটি জাতিকে কীভাবে সুশিক্ষায় সুশিক্ষিত করা যায়, কীভাবে শিক্ষার মানোন্নয়ন করা যায়, একটি দক্ষ ও মেধাভিত্তিক সমাজ গঠন করা যায়, এ নিয়ে শিক্ষাবিদদের ভাবনার শেষ নেই। আমরা সবাই জানি যে, একটি জাতির সার্বিক উন্নয়নে শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। শিক্ষা শুধু যে মানবজাতির পরিবর্তন ঘটায় তা নয়, রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ন্যায়বিচার-সুশাসন প্রতিষ্ঠা আম্প্রদায়িক রাষ্ট্র গঠনে বড় ধরনের ভূমিকা রাখে। প্রকৃত শিক্ষা হচ্ছে, আত্মদর্শন ভবিষ্যৎ জীবন সম্পর্কে নিজেকে গড়ে তোলার জন্য কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে শিক্ষা গ্রহণে ব্রতি হওয়া। তাহলেই সেই শিক্ষার দ্বারা সমাজ-সভ্যতা, দেশ-মানবসেবা, মানবতাবাদী চেতনায় সমৃদ্ধ একটি জাতি গঠনে সক্ষম হবে। এর ব্যত্যয় হলে শিক্ষা হবে ব্যক্তি কেন্দ্রিক, সমষ্টিগতভাবে সে শিক্ষা মানবজাতির কল্যাণে তেমন কোনো অবদান রাখতে পারে না। নতুন শিক্ষাক্রম একজন শিক্ষার্থীকে সজ্জন সম্মানীয় ব্যক্তিত্বে পরিণত করতে পারবে। সাদাকে সাদা, কালোকে কালো বলার দৃঢ় মানসিকতা ও সামাজিক মূল্যবোধ, মনুষ্যত্বের অধিকারি হবে। পাসের হারের দিক থেকে দেশ এগিয়ে গেলেও শিক্ষার মান বাড়ছে কি না- এ নিয়ে শিক্ষাবিদ সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, বিশিষ্টজনদের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। এখন শিক্ষার মান বাড়ানোই বড় চ্যালেঞ্জ। কিন্তু যে যা-ই বলুন না কেন, আমাদের শিক্ষার মান বাড়াতে হবে। আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার মানসিকতা শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিকাশ লাভ করে তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় রাখতে হবে। এটা শুধু প্রাথমিক পর্যায়েই নয়, শিক্ষার সব স্তরে হওয়া উচিত। জ্ঞান, মেধা-মনন শক্তির উপযোগী এবং এ বিষয়ে তাদের সক্ষমতা বাড়াতে হবে। তাহলে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে আমরা পিছিয়ে পড়ব।</p>
<p style="text-align: justify;">বর্তমান ও অনাগত শিশুরাই আমাদের ভবিষ্যৎ। তাদের সামনে সোনালি দিন হাতছানি দিয়ে ডাকছে। তাদের ভবিষ্যৎকে পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। তাই রাষ্ট্রকেই শিশুর ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে হবে। কেন না, আজকের শিশুরা নানা দিক থেকে লাঞ্ছিত, নিগৃহিত, অপমানিত হচ্ছে। সর্বত্র জ্ঞানের বিস্তরণ ঘটাতে হবে। আমাদের লাখো শিক্ষার্থীদের এগিয়ে যেতে হবে জ্ঞান, মেধা অর্জনে সামনের দিকে। আমাদের দেশে শিক্ষার হার বেড়েছে; কিন্তু শিক্ষার গুণগত মান সে অনুযায়ী বাড়েনি। পাস করলে সার্টিফিকেট পাওয়া যতটা সহজ শিক্ষিত হওয়া ততটা সহজ নয়। আর শিক্ষা হচ্ছে অর্জনের বিষয় এটা অর্জন করতে হয় নিজস্ব মেধা, স্বকীয়তা দিয়ে। প্রকৃত মানুষ হতে আমাদের ভাষা শিক্ষা সংস্কৃতিকে আঁকড়ে ধরে এগিয়ে যেতে হবে এবং নিজকে বিকশিত প্রতিষ্ঠিত করতে হবে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে। এটাও বিবেচনায় নেওয়া দরকার যে, শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য সার্টিফিকেট লাভ বা চাকরি পাওয়া নয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন মানুষের অভ্যন্তরের মানুষটিকে খাঁটি মানুষ বানানোর প্রচেষ্টায় শিক্ষা। শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য নৈতিকতা অর্জন। সব প্রকার কুদৃষ্টি, কুপ্রবৃত্তি থেকে মুক্ত হয়ে সর্বক্ষেত্রে সততা, মূল্যবোধ অর্জনের মাধ্যমে মানুষ হওয়া। কর্মজীবনে যে পেশায় প্রবেশ করো না কেন, সততা, নৈতিকতা, শুভবুদ্ধির জাগরণ ঘটাতে হবে। যা করা উচিত, যা করা উচিত নয় এ মানবিক মূল্যবোধের, মনূষ্যত্বের অধিকারী হও, এটাই প্রত্যাশা করি। শিক্ষার মূল লক্ষ্য মানসম্পন্ন শিক্ষা প্রদান। সরকার এ বিষয়ে যথেষ্ট অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে প্রতিটি শিক্ষাস্তরে যেন মানবিক ও নৈতিকতানির্ভরতাকে পাশ কাটানোর কোনো সুযোগ না থাকে, সেদিকে আরো মনোযোগ দিতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">যে শিক্ষায় মানবিকতা কিংবা নৈতিকতা না থাকে, তবে সে শিক্ষা থেকে হয়তো সমাজ রাষ্ট্র খুব বেশি উপকৃত হতে পারে না। একই সঙ্গে একজন শিশুর প্রথম শিক্ষালয় যেহেতু তার পরিবার এবং প্রথম শিক্ষক তার পিতামাতা সেক্ষেত্রে পরিবারকেও একজন শিক্ষার্থীর মানবিক ও নৈতিক শিক্ষার ব্যাপারেও সচেতন হতে হবে। প্রতিটি শিক্ষালয় শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সব ব্যক্তি ও শিক্ষকবৃন্দকে এ ব্যাপারে কাযর্কর ভূমিকা নিতে হবে। এতে সমাজ ও দেশ হবে সমৃদ্ধশালী। আরো উজ্জীবিত হবে স্বজাতির সভ্যতা। সব সমাজেই একজন শিক্ষার্থীর মেধা যাচাইয়ের প্রক্রিয়া হচ্ছে পরীক্ষা। আকাশছোঁয়া স্বপ্ন নিয়ে যারা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, তাদের মধ্যে অনেকেরই স্বপ্নপূরণ হয়েছে। যাদের হয়নি, তাদের হতাশ হওয়ার কিছুই নেই। আজ হয়তো হয়নি, কাল হবে- এই আত্মশক্তি ও বিশ্বাস যাদের রয়েছে, তাদের স্বপ্ন একদিন পূরণ হবেই। মানুষ শুধু বুদ্ধিমান প্রাণীই নয়, তার একটি নৈতিক ও সামাজিক সত্তাও রয়েছে। সে সমাজবদ্ধ হয়ে বাস করতে ভালোবাসে এবং সমাজ ও মানুষের প্রতি একটি দায়বদ্ধতাও সে অনুভব করে। এ কারণে মানব সন্তানকে তার নিজস্ব সমাজ, সংস্কৃতি ও ধর্ম সম্পর্কেও জানতে হয় এবং নিজ সমাজ ও রাষ্ট্রের একজন আদর্শ, সৎ ও যোগ্য সদস্য ও নাগরিক হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলার একটি তাড়নাও সে অনুভব করে। এভাবে চিন্তা করলে দেখা যাবে, মানব শিশুকে যথার্থ মানুষ হয়ে উঠতে হলে তাকে অনেক কিছু জানতে ও বুঝতে হয় এবং নিজের ভবিষ্যৎ জীবনকে সুন্দর করার লক্ষ্যে জীবনের একটি বিরাট সময় পর্যন্ত তাকে জ্ঞান অর্জন ও আত্মগঠনের কঠোর সাধনা ও অধ্যবসায়ে নিয়োজিত থাকতে হয়। বলা বাহুল্য, এই কঠোর অধ্যবসায় ও সাধনার মাধ্যমে সত্যিকার মানুষ হয়ে ওঠার মধ্যেই মানব সত্তার শ্রেষ্ঠত্ব এবং তার বিশেষত্ব ও সার্থকতা নিহিত।</p>
<p style="text-align: justify;">লেখকঃ রায়হান আহমেদ তপাদার</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
